হামাসকে নিশ্চিহ্নে চার সংগঠনকে অর্থ-অস্ত্র সহায়তা দিচ্ছে ইসরায়েল
গাজা উপত্যকায় হামাসকে দুর্বল ও ক্ষমতাচ্যুত করতে অন্তত চারটি বিদ্রোহী গোষ্ঠীকে গোপনে সমর্থন ও লজিস্টিক সহায়তা দিচ্ছে ইসরায়েল। শনিবার (২৫ অক্টোবর) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম স্কাই নিউজ প্রকাশিত এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।
গাজার সদ্য গঠিত বিদ্রোহী সংগঠনগুলোর একটির নেতা হুসাম আল-আস্তাল নিজেই স্কাই নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বিষয়টি স্বীকার করেছেন। তিনি বলেন,
“আমরা ‘প্রজেক্ট নিউ গাজা’-এর অধীনে একত্র হয়েছি। আমাদের উদ্দেশ্য গাজা থেকে হামাসের নিয়ন্ত্রণ সরিয়ে নতুন প্রশাসন গঠন করা।”
আস্তালের দাবি, এই উদ্যোগে তাঁর সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ইয়াসের আবু শাবাব ও আশরাফ আল-মানসিসহ আরও কয়েকজন স্থানীয় নেতা।
স্কাই নিউজের অনুসন্ধান অনুযায়ী, আস্তালের সদর দপ্তর ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) একটি পোস্ট থেকে মাত্র ৭০০ মিটার দূরে, গাজার সীমান্তবর্তী “ইয়েলো লাইন” এলাকায়। সেখানে একটি ‘গ্রিন জোন’ চুক্তি কার্যকর রয়েছে, যেখানে উভয় পক্ষের মধ্যে সমন্বয় হয় এবং গোলাগুলি বা বিমান হামলা না চালানোর নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে।
প্রতিবেদনে দেখা যায়, আস্তালের ব্যবহৃত কয়েকটি গাড়িতে হিব্রু ভাষায় লেখা চিহ্ন পাওয়া গেছে, যা পরে মুছে ফেলা হয়। তাঁর দাবি, “এই যানবাহনগুলো গাজার বাইরে থেকে আনা হয়েছে এবং হামাসের কাছ থেকেও কিছু অস্ত্র কালোবাজারে কেনা হয়েছে।”
অন্যদিকে, বিদ্রোহী সদস্য আবু শাবাব স্কাই নিউজকে জানিয়েছেন, ইসরায়েল তাদের অস্ত্র, নগদ অর্থ ও যানবাহন সীমান্ত পেরিয়ে আনতে সহযোগিতা করছে।
তবে আল-মানসি গোষ্ঠীর নেতারা আইডিএফের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের কথা অস্বীকার করে বলেছেন, তারা শুধু স্থানীয় জেলা অফিসের মাধ্যমে সীমিত সমন্বয় করে থাকে, যা ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী ও ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রণে।


