ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে সেনা পাঠাতে চায় মধ্যপ্রাচ্যের কিছু দেশ: ট্রাম্প

ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে সেনা পাঠাতে চায় মধ্যপ্রাচ্যের কিছু দেশ: ট্রাম্প
নিউজ ডেস্ক
২২ অক্টোবর ২০২৫

মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতপূর্ণ ভূখণ্ড গাজায় সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতির স্থায়িত্ব নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। ইসরায়েলি বাহিনীর টানা বিমান হামলা ও হামাসের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, যে কোনো সময় আবারও যুদ্ধ জ্বলে উঠতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নতুন করে ইঙ্গিত দিয়েছেন, গাজায় হামাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে কিছু দেশ প্রস্তুত রয়েছে।

বিশ্বখ্যাত সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা জানায়, মঙ্গলবার (স্থানীয় সময়) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এক বার্তায় ট্রাম্প দাবি করেন, “মধ্যপ্রাচ্যের বেশ কয়েকটি দেশ গাজায় বাহিনী পাঠানোর প্রস্তাব দিয়েছে।” যদিও তিনি নির্দিষ্ট কোনো দেশের নাম প্রকাশ করেননি, তবে ইন্দোনেশিয়ার নাম উল্লেখ করেন বিশেষভাবে।

ট্রাম্প বলেন, “ইন্দোনেশিয়াও গাজায় সেনা পাঠাতে ইচ্ছুক”—যদিও দেশটির সরকার এখন পর্যন্ত হামাসের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়নি। বিশ্লেষকদের মতে, এটি একটি কৌশলগত ভুল ব্যাখ্যা হতে পারে অথবা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বক্তব্য।

সাবাহ নিউজ এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

ট্রাম্প আরও বলেন,

“হামাস যদি সঠিক কাজটি না করে, তাহলে তাদের পতন হবে দ্রুত, নির্মম এবং ধ্বংসাত্মকভাবে। মধ্যপ্রাচ্যের আমাদের মিত্ররা স্পষ্ট করে আমাকে জানিয়েছেন, তারা গাজায় একটি শক্তিশালী সামরিক উপস্থিতি গড়ে তুলতে প্রস্তুত।”

এই পটভূমিতে রোববার গাজায় ১৫৩ টন বোমা নিক্ষেপ করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সোমবার সংসদে বলেন,

“আমরা এক হাতে অস্ত্র, অন্য হাতে শান্তির বার্তা বহন করি। শান্তি কেবল শক্তির ওপর ভিত্তি করেই স্থায়ী হয়।”

তিনি দাবি করেন, হামাসের সশস্ত্র হামলায় দুই ইসরায়েলি সৈন্য নিহত হওয়ার জবাবে এই বিমান হামলা চালানো হয়।

হামাস এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে বলেছে, গাজায় ইসরায়েলই একতরফা আগ্রাসন চালিয়ে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করছে। সংগঠনটির দাবি, তারা প্রতিরক্ষা অবস্থানেই রয়েছে এবং বারবার শান্তিচুক্তি লঙ্ঘন করছে ইসরায়েল।