ফখরুলের প্রশ্ন: ‘মাননীয়’ বলতেই হবে কেন? গণতন্ত্রে তো সবাই সমান!

রাজনীতি
ফখরুলের প্রশ্ন: ‘মাননীয়’ বলতেই হবে কেন? গণতন্ত্রে তো সবাই সমান!
নিউজ ডেস্ক
৯ জুলাই ২০২৫

বাংলাদেশে কখনোই পূর্ণাঙ্গ গণতন্ত্রের চর্চা হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি মনে করেন, পাকিস্তানি শাসনামলের রাজনৈতিক সংস্কৃতির উত্তরাধিকার এখনো বহন করছে বাংলাদেশ, যা একটি পরিপূর্ণ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পথে বড় অন্তরায়।

মঙ্গলবার (৮ জুলাই) বিকেলে বাংলা একাডেমির আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ মিলনায়তনে আয়োজিত ‘সিভিল ডিসকোর্স ন্যাশনাল ২০২৫’ বিতর্ক প্রতিযোগিতার সমাপনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

মির্জা ফখরুল বলেন, “স্বাধীনতার পর কিছু সময় গণতন্ত্রের চর্চা হলেও, আমরা তা ধরে রাখতে পারিনি। তবে বর্তমান তরুণ সমাজ অনেক বেশি সচেতন, তারা আমাদের চেয়ে অনেকদূর এগিয়ে গেছে। আমি তাদের দেখে আশাবাদী।”

সাবাহ নিউজ এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

তিনি আরও বলেন, “তর্কবিতর্ক থাকবে, মতের অমিল থাকবে—এটাই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। আমরা বিশ্বাস করি, কারও মতের সঙ্গে দ্বিমত করলেও তার মত প্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষা করাই হলো প্রকৃত গণতন্ত্র।”

অনুষ্ঠানে বিতর্কের একটি বিষয়ের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী কিংবা স্পিকারের আগে ‘মাননীয়’ শব্দটি বলার রেওয়াজ থেকেই এক ধরনের চাটুকারিতা ও কর্তৃত্ববাদ জন্ম নেয়। এ বিষয়গুলো নিয়েও ভাবা দরকার।”

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের ফরেন অ্যাফেয়ার্স কমিটির সদস্য ইসরাফিল খসরু, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম ও ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক এ কে এম ইলিয়াস।

অনুষ্ঠান শেষে সেরা বিতার্কিকদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।