ইসরায়েলি হামলায় দামেস্কে সিরিয়ার সেনা সদর দপ্তরে বিস্ফোরণ
ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান। ফাইল ছবি
সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কে সেনাবাহিনীর সদর দপ্তরের প্রবেশপথে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। ঘটনার কিছুক্ষণ আগে শহরজুড়ে একটি শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। একই সঙ্গে দক্ষিণ সিরিয়ার সুয়েইদা শহরেও হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী।
সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা দাবি করেছে, সুয়েইদায় ড্রোন হামলায় বেসামরিক হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। তবে এখন পর্যন্ত হতাহতের সংখ্যা নিশ্চিত করেনি তারা।
এই হামলাগুলো এমন এক সময় ঘটল, যখন মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগেই উভয় পক্ষ এক অস্ত্রবিরতিতে সম্মত হয়েছিল। পর্যবেক্ষকরা বলছেন, এ ঘটনা অস্ত্রবিরতির ভবিষ্যৎকে ঘিরে নতুন প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর বিবৃতি অনুযায়ী:
“আমরা আমাদের সীমান্ত নিরাপত্তা ও সম্ভাব্য হুমকি মোকাবেলায় সব ধরনের প্রস্তুতি রেখেছি।”
তারা দাবি করেছে, হামলাগুলো ছিল প্রতিরক্ষামূলক এবং সিরিয়ার অভ্যন্তরে সক্রিয় ইরান-সমর্থিত মিলিশিয়া গোষ্ঠীর উপস্থিতির প্রতিক্রিয়া।
সিরিয়ার দক্ষিণাঞ্চলের সুয়েইদা শহরটি ড্রুজ জনগোষ্ঠীর প্রধান আবাসস্থল, যারা সাধারণত সংঘাতে নিরপেক্ষ থাকে। সেখানে হামলা ইসরায়েলি কৌশলের একটি ব্যতিক্রমী দিক নির্দেশ করে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
“ড্রুজ অধ্যুষিত অঞ্চলে ইসরায়েলি হামলা খুবই বিরল ঘটনা। এটি অঞ্চলভিত্তিক উত্তেজনার নতুন মাত্রা তৈরি করতে পারে,” — বলেন মধ্যপ্রাচ্য বিশ্লেষক রানা হালিম।
সিরিয়ার সরকার এখনো পর্যন্ত ইসরায়েলি হামলা নিয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। তবে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, দামেস্কে কিছু এলাকায় সামরিক সতর্কতা জারি করা হয়েছে এবং সুরক্ষা বাহিনীকে সর্বোচ্চ প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে।


