ইরান পার্লামেন্টে উত্তপ্ত সিদ্ধান্ত, হরমুজ প্রণালী বন্ধের অনুমোদন
ইরানের পার্লামেন্ট যদিও হরমুজ প্রণালী সাময়িকভাবে বন্ধ করার অনুমোদন দিয়েছে, তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো মুক্তিপণের অপেক্ষায়। রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন মিডিয়া প্রেস টিভির বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, এই বিষয়ে এখন সিদ্ধান্ত নিতে হবে সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদকে।
প্রেস টিভির এই প্রতিবেদন অনুসারে, তেল ও গ্যাসের বিশ্বব্যাপী সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ Hormonproানের মাধ্যমে প্রবাহিত হয়—তবে পূর্ণ বা আংশিক বন্ধের কোনও চূড়ান্ত নির্দেশনা এখনও নেই।
ইরানি আইনপ্রণেতা এবং বিপ্লবী গার্ডের কমান্ডার ইসমাইল কোসারি বলেন, “এই পদক্ষেপ এখনো আলোচ্যসূচিতে রয়েছে, এবং যখন পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য প্রয়োজন হবে, তখন আমরা কার্যকর পদক্ষেপ নেব।”
মার্কিন জ্বালানী তথ্য প্রশাসন (EIA) অনুসারে, যদি হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে তেলের সরবরাহ হ্রাস পাবে এবং বিশ্ব বাজারে দাম বাড়বে। পাশাপাশি, অনেক দেশ উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে напрямую পার্থক্যও অনুভব করবে।
পূর্বের সংঘাতের প্রেক্ষাপট
-
১৯৮০–৮৮ সালের ইরান-ইরাক যুদ্ধের সময় এই প্রণালীতে স্থায়ীভাবে আঘাত হয়নি, যদিও ট্যাঙ্কার যুদ্ধ দেখেছে।
-
২০১৯ সালে যুক্তরাষ্ট্র দাবি করেছিল ইরান ফুজায়রার কাছে চারটি জাহাজে হামলা করেছে; ইরান এটি অস্বীকার করে।
-
গাজা ও ইয়েমেনের সংঘাতের প্রেক্ষাপটে Bab al-Mandeb প্রণালীতে হুতিদের হামলা হলেও, তারা আন্যান্য উপকূলের বিকল্প পথ ব্যবহার করছে।
যদিও হুতিদের কর্মকাণ্ড নভেল হলেও বিশ্ববাণিজ্যে জমাট বাধার সম্ভাবনা কম, কারণ তারা আফ্রিকার চারপাশে আগামী বিপদ অতিক্রম করে যাচ্ছে। কিন্তু হরমুজ ছাড়া উপসাগর সরাসরি শিপিং সম্ভব নয়, যা একটি বড় ঝুঁকি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।


