বন্ধ সরকারি শিল্পকারখানা চালু করা হবে: প্রধানমন্ত্রী

জাতীয়
বন্ধ সরকারি শিল্পকারখানা চালু করা হবে: প্রধানমন্ত্রী
৫ নভেম্বর ২০২৬

বন্ধ হয়ে যাওয়া সরকারি শিল্পকারখানাগুলো পুনরায় চালু করার পাশাপাশি দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করে নতুন শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এর মাধ্যমে তরুণ-যুবকদের জন্য ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে চায় সরকার।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে বাগেরহাটে হযরত খানজাহান আলীর (রহ.) মাজার জিয়ারতে যাওয়ার পথে ফকিরহাটের কাটাখালী মোড়ে আয়োজিত এক পথসভায় এসব কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনের আগে দেশের মানুষকে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, বিএনপি সরকার গঠন করতে পারলে জনগণের কল্যাণে কাজ করবে। সেই প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে দেশের বিভিন্ন এলাকায় বন্ধ হয়ে যাওয়া সরকারি শিল্পকারখানাগুলো পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

সাবাহ নিউজ এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

তিনি বলেন, শুধু পুরোনো শিল্পকারখানা চালু করাই নয়, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের উৎসাহিত করে নতুন শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হবে। এর মাধ্যমে দেশের তরুণ ও যুবকদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নের অংশ হিসেবেই গত দুই সপ্তাহে তিনি দুইবার বাগেরহাট সফর করেছেন।

দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের শিল্পায়নের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, একসময় খুলনা দেশের অন্যতম প্রধান শিল্পাঞ্চল ছিল। কিন্তু সময়ের সঙ্গে বিভিন্ন কারণে এ অঞ্চলের অনেক শিল্পকারখানা বন্ধ হয়ে গেছে।

তিনি বলেন, খুলনা, বাগেরহাট, কুষ্টিয়া ও চুয়াডাঙ্গাসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল থেকে শুরু করে উত্তরের পঞ্চগড় পর্যন্ত হাজার হাজার শিল্পকারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। শিল্পায়নের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি এসব অঞ্চলের সামগ্রিক উন্নয়ন করতে চায় সরকার।

এর আগে সকালে মোংলায় ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ ও চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন করপোরেশনের (সিআরসিসি) মধ্যে অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত সহযোগিতাবিষয়ক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী।

পরে মোংলা বন্দরের সুবিধাদি সম্প্রসারণ ও উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় দুটি জেটি নির্মাণ এবং আনুষঙ্গিক সুবিধাদি উন্নয়নকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তিনি।

দুপুর দেড়টার দিকে প্রধানমন্ত্রী হযরত খানজাহান আলীর (রহ.) মাজার জিয়ারত করেন। পরে সেখান থেকে খুলনার উদ্দেশে রওনা হন তিনি।