প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ১১ সদস্যের জাতীয় সমন্বয় কমিটি গঠন
দেশের সার্বিক নিরাপত্তা ও সামাজিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে ১১ সদস্যের ‘জাতীয় সমন্বয় কমিটি’ গঠন করেছে সরকার। গত ৩০ এপ্রিল মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে গঠিত এ কমিটির সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। আর প্রধান সমন্বয়কের দায়িত্বে থাকবেন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা।

কমিটিতে সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার এবং পুলিশ মহাপরিদর্শকসহ গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তারা। এছাড়া ডিজিএফআই, এনএসআই, এনটিএমসি এবং র্যাব-এর মহাপরিচালকরাও কমিটির সদস্য হিসেবে রয়েছেন।
সাবাহ নিউজ এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুক– এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব
কমিটিকে সহায়তা দিতে ছয়জন অতিরিক্ত সদস্য রাখা হয়েছে। তাদের মধ্যে আছেন অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক (স্পেশাল ব্রাঞ্চ ও সিআইডি), বাংলাদেশ ব্যাংক ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট-এর প্রধান, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জাতীয় নিরাপত্তা সেলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এবং সিটিটিসি ও অ্যান্টি টেরোরিজম ইউনিটের প্রতিনিধিরা।
কমিটির কার্যপরিধিতে বলা হয়েছে, সামাজিক স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তাসংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র নির্ধারণ, সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন এবং পরিস্থিতি মূল্যায়নের মাধ্যমে অগ্রাধিকার নির্ধারণ করা হবে। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদার, প্রচলিত আইন পর্যালোচনা এবং প্রয়োজনে নতুন আইন প্রণয়নের সুপারিশ করবে কমিটি।
এছাড়া অনলাইন প্ল্যাটফর্মসহ সংশ্লিষ্ট সব ক্ষেত্র নিয়মিত তদারকি এবং গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান বাড়ানোর বিষয়টিও গুরুত্ব পাবে।
কমিটির সচিবালয় হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা অধিদপ্তর। প্রয়োজনে সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অন্য কোনো সংস্থাকে এ দায়িত্ব দেওয়া যেতে পারে।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, কমিটির সভা অন্তত মাসে একবার বা তিন মাসে একবার অনুষ্ঠিত হবে। প্রয়োজনে সশস্ত্র বাহিনীসহ অন্যান্য সংস্থার কর্মকর্তাদের অস্থায়ীভাবে অন্তর্ভুক্ত করার সুযোগও রাখা হয়েছে।

