আমতলীতে কৃষকের জমির ধান লুটের অভিযোগ

দেশজুড়ে
আমতলীতে কৃষকের জমির ধান লুটের অভিযোগ

বরগুনার আমতলী উপজেলায় এক কৃষকের ভোগদখলীয় জমির ধান কেটে লুট করে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। জমির মালিক বাধা দিতে গেলে তাকে লাঞ্ছিত করার ঘটনাও ঘটেছে। বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) দুপুরে উপজেলার পশ্চিম সোনাখালী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী কৃষক আব্দুল মান্নান আকন অভিযোগ করে জানান, মনিরুল আকনের নেতৃত্বে শাহিনুর বেগম ও তার সহযোগীরা তার জমির ধান কেটে নিয়ে গেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

স্থানীয় সূত্র ও অভিযোগে জানা গেছে, ২০১৬ সালে আব্দুল মান্নান আকন পশ্চিম সোনাখালী গ্রামের রাহিমা বেগমের কাছ থেকে ২৩ নম্বর সোনাখালী মৌজার ৩০১ নম্বর খতিয়ানে ২৬ শতাংশ জমি ক্রয় করেন। গত ৯ বছর ধরে তিনি ওই জমি ভোগদখল করে আসছেন এবং নিয়মিত চাষাবাদ করছেন।

সাবাহ নিউজ এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

বুধবার সকালে ওই জমিতে পাকাপোক্ত ধান কাটার সময় মনিরুল আকনের নেতৃত্বে শাহিনুর বেগম ও তার লোকজন সেখানে গিয়ে ধান কেটে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করেন মান্নান আকন। তিনি এতে বাধা দিতে গেলে অভিযুক্তরা তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে বলে জানান।

জমির মালিক আব্দুল মান্নান আকন বলেন, “২০১৬ সালের ২৫ অক্টোবর আমি আইনগতভাবে ২৬ শতাংশ জমি ক্রয় করি। দীর্ঘদিন ধরে আমি ওই জমিতে চাষাবাদ করছি। বুধবার সকালে আমার জমির ধান জোরপূর্বক কেটে নিয়ে গেছে। আমি বাধা দিলে আমাকে লাঞ্ছিত করা হয়। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।”

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে মনিরুল আকন বলেন, “ধান লুটের ঘটনায় আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। শাহিনুর বেগম তার নিজের জমির ধান তার লোকজন দিয়ে কেটে নিয়েছেন। এখানে আমার কোনো ভূমিকা নেই।”

এ বিষয়ে গাজীপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই হানিফ মিয়া বলেন, “খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। কিছু ধান কাটা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। উভয় পক্ষকে ডাকা হয়েছে। তাদের বক্তব্য শুনে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়রা ভূমি বিরোধের দ্রুত নিষ্পত্তি ও দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন।