শাহবাগ–ইন্টারকন্টিনেন্টাল এলাকায় বাড়তি নিরাপত্তা

জাতীয়
শাহবাগ–ইন্টারকন্টিনেন্টাল এলাকায় বাড়তি নিরাপত্তা
নিউজ ডেস্ক
৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

রাজধানীর শাহবাগ, কাকরাইল ও হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালসহ আশপাশের এলাকায় বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনার পর শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকেই এসব এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

সকাল থেকে শাহবাগ, কাকরাইল মোড় ও হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল এলাকার বিভিন্ন পয়েন্টে বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্যকে দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে। একই সঙ্গে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে সারিবদ্ধভাবে জলকামানও প্রস্তুত রাখা হয়েছে। তবে শাহবাগ, কাকরাইল কিংবা ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনে আজ কোনো ব্যারিকেড বসানো হয়নি।

সরেজমিনে দেখা যায়, নিরাপত্তা জোরদারের কারণে এসব এলাকায় অন্যান্য দিনের তুলনায় যানবাহন চলাচল কম ছিল। পথচারীর সংখ্যাও ছিল উল্লেখযোগ্যভাবে কম।

সাবাহ নিউজ এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

এদিকে, হাদি হত্যার ঘটনার ৫৪ দিন পেরিয়ে গেলেও বিচার না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করে গতকাল শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়ে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে ইনকিলাব মঞ্চ। দুপুরের দিকে তারা সেখান থেকে যমুনা অভিমুখে যাত্রা শুরু করলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের বাধা দেয়।

একপর্যায়ে ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করলে পুলিশ জলকামান ব্যবহার, সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ ও লাঠিচার্জ করে। পরে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ায় পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।

সংঘর্ষে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবেরসহ বেশ কয়েকজন আহত হন। আহতদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

বিকেল আনুমানিক ৫টার দিকে রাজু ভাস্কর্য থেকে মিছিল নিয়ে ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নেন। সেখানে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু হলে ফের পুলিশের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ হয়।

পরে আহত অবস্থায় প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের অভিযোগ করেন, নির্বাচন বানচাল করতেই তাদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। তিনি বলেন, হাদি হত্যার বিচার না হলেও আগামী ১২ তারিখ নির্ধারিত নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়া যাবে না। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, নির্বাচনের পর যে দল ক্ষমতায় আসবে তারা যদি এই হত্যাকাণ্ডে কার্যকর ব্যবস্থা না নেয়, তাহলে কঠোর আন্দোলনের মুখে পড়তে হবে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আজ সকাল থেকেই সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে পুলিশি টহল ও নজরদারি জোরদার রাখা হয়েছে।