মার্কিন রাষ্ট্রদূত মুখ ফসকে বললেন, ‘সন্ত্রাস ছড়াচ্ছে ইসরায়েল’

মার্কিন রাষ্ট্রদূত মুখ ফসকে বললেন, ‘সন্ত্রাস ছড়াচ্ছে ইসরায়েল’
নিউজ ডেস্ক
২১ জুন ২০২৫

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের এক অধিবেশনে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ডরোথি শে এমন একটি মন্তব্য করে বসেন, যা যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যপ্রাচ্য নীতিকে ঘিরে নতুন কূটনৈতিক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বক্তব্যে তিনি ‘ইসরায়েল মধ্যপ্রাচ্যে বিশৃঙ্খলা, সন্ত্রাস ও দুর্ভোগ ছড়াচ্ছে’—এমন শব্দ প্রয়োগ করেন। পরক্ষণেই তিনি তা সংশোধন করে বলেন, মূলত তিনি ইরানকে ইঙ্গিত করতে চেয়েছিলেন।

শে মূলত ইরানকে দোষারোপ করছিলেন ইসরায়েল-ইরান সাম্প্রতিক উত্তেজনার জন্য। কিন্তু এক পর্যায়ে তিনি বলেন,

“Israel continues to spread terror and instability in the region…”
এই মন্তব্যের পরপরই তিনি নিজেকে থামিয়ে বলেন,
“I apologize — that was a misstatement. I meant Iran, not Israel.”

তবে তখন পর্যন্ত মন্তব্যটি সরাসরি সম্প্রচারে চলে গেছে, এবং সামাজিক মাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

সাবাহ নিউজ এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

হোয়াইট হাউস ও স্টেট ডিপার্টমেন্ট তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি ‘ভাষাগত ভুল’ বলে ব্যাখ্যা দেয়। এক মুখপাত্র বলেন,

“রাষ্ট্রদূত শে ইরানকে উদ্দেশ্য করে বলছিলেন। এটি নিছক একটি টং-স্লিপ ছিল, যার সঙ্গে মার্কিন নীতির কোনো বিরোধ নেই।”

বক্তব্যের বাকি অংশে রাষ্ট্রদূত শে ইরানকে আঞ্চলিক অস্থিরতার কেন্দ্র হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন,

“ইরান যদি ২০১৫ সালের পরমাণু চুক্তির সীমাবদ্ধতায় ফিরত, তাহলে আজকের এই সংঘাতের অবকাশ থাকত না।”

তিনি ইরানের হিজবুল্লাহ, হুথি ও অন্যান্য ছায়া গোষ্ঠীর সঙ্গে সংযোগ নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের এক অধিবেশনে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ডরোথি শে এমন একটি মন্তব্য করে বসেন, যা যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যপ্রাচ্য নীতিকে ঘিরে নতুন কূটনৈতিক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বক্তব্যে তিনি ‘ইসরায়েল মধ্যপ্রাচ্যে বিশৃঙ্খলা, সন্ত্রাস ও দুর্ভোগ ছড়াচ্ছে’—এমন শব্দ প্রয়োগ করেন। পরক্ষণেই তিনি তা সংশোধন করে বলেন, মূলত তিনি ইরানকে ইঙ্গিত করতে চেয়েছিলেন।

শে মূলত ইরানকে দোষারোপ করছিলেন ইসরায়েল-ইরান সাম্প্রতিক উত্তেজনার জন্য। কিন্তু এক পর্যায়ে তিনি বলেন,

“Israel continues to spread terror and instability in the region…”
এই মন্তব্যের পরপরই তিনি নিজেকে থামিয়ে বলেন,
“I apologize — that was a misstatement. I meant Iran, not Israel.”

তবে তখন পর্যন্ত মন্তব্যটি সরাসরি সম্প্রচারে চলে গেছে, এবং সামাজিক মাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

হোয়াইট হাউস ও স্টেট ডিপার্টমেন্ট তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি ‘ভাষাগত ভুল’ বলে ব্যাখ্যা দেয়। এক মুখপাত্র বলেন,

“রাষ্ট্রদূত শে ইরানকে উদ্দেশ্য করে বলছিলেন। এটি নিছক একটি টং-স্লিপ ছিল, যার সঙ্গে মার্কিন নীতির কোনো বিরোধ নেই।”

বক্তব্যের বাকি অংশে রাষ্ট্রদূত শে ইরানকে আঞ্চলিক অস্থিরতার কেন্দ্র হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন,

“ইরান যদি ২০১৫ সালের পরমাণু চুক্তির সীমাবদ্ধতায় ফিরত, তাহলে আজকের এই সংঘাতের অবকাশ থাকত না।”

তিনি ইরানের হিজবুল্লাহ, হুথি ও অন্যান্য ছায়া গোষ্ঠীর সঙ্গে সংযোগ নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

 আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া

  1. ইসরায়েলি মিডিয়া ও নীতিনির্ধারকরা শুরুতে মন্তব্যটি নিয়ে অসন্তোষ জানালেও পরে ব্যাখ্যা মেনে নেয়।

  2. ইরানপন্থী মিডিয়ায় এই মন্তব্যকে “সত্য উক্তি” বলে প্রচার করা হয়।

  3. কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এটি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য “একটি ছোট ভুল, কিন্তু বড় বার্তা বহন করে”।

 আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া

  • ইসরায়েলি মিডিয়া ও নীতিনির্ধারকরা শুরুতে মন্তব্যটি নিয়ে অসন্তোষ জানালেও পরে ব্যাখ্যা মেনে নেয়।

  • ইরানপন্থী মিডিয়ায় এই মন্তব্যকে “সত্য উক্তি” বলে প্রচার করা হয়।

  • কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এটি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য “একটি ছোট ভুল, কিন্তু বড় বার্তা বহন করে”।