রাজধানীর নয়াপল্টনে অনুষ্ঠিত এক বিশাল সমাবেশে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান বলেছেন, “আজকের মহাসমাবেশ তারুণ্যের সমুদ্রে পরিণত হয়েছে। এই তরুণরাই বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় মূল শক্তি হয়ে উঠেছে।”
বুধবার বিকেলে অনুষ্ঠিত এ সমাবেশে বিএনপির তিন সহযোগী সংগঠন—জাতীয়তাবাদী যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদল—ঢাকা, সিলেট, ফরিদপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগ থেকে অংশগ্রহণকারী নেতাকর্মীদের নিয়ে আয়োজন করে ‘তারুণ্যের রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠা’ শীর্ষক কর্মসূচি।
ড. মঈন খান বলেন,
“ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচার আমাদের দেশকে ধ্বংস করেছিল। তরুণ সমাজ, বিশেষ করে ছাত্রসমাজ, প্রথম ধাক্কায় বিজয়ের সূচনা করেছে। এখন আমরা দ্বিতীয় ধাপে—গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের চূড়ান্ত পর্যায়ে।”
তিনি সতর্ক করে বলেন,
“নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ না দিলে তরুণ সমাজের বিক্ষোভে সরকার পালাতে বাধ্য হবে।”
তিনি বলেন, “আমরা একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য দীর্ঘ ১৫ বছর জেল-জুলুম সহ্য করেছি। সরকারকে সহযোগিতা করেছি, এখনো করছি। কিন্তু গণতন্ত্র মানে হচ্ছে জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর।”
“অন্তর্বর্তী সরকার যদি জনগণের কথা না শোনে, তাহলে রাজপথই তাদের পরিণতি নির্ধারণ করবে।”
লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এই কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন। তরুণদের উদ্দেশে তিনি “নতুন বাংলাদেশ গড়ার লড়াইয়ে” অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।
এই মহাসমাবেশে বক্তব্য রাখেন:
-
ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন
-
মির্জা আব্বাস
-
গয়েশ্বর চন্দ্র রায়
-
আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী
-
সালাহউদ্দিন আহমেদ
সভাপতিত্ব করেন যুবদল সভাপতি মোনায়েম মুন্না এবং সঞ্চালনায় ছিলেন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক রাজীব আহসান ও ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির।

