সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬
Logo

শ্রমিক আন্দোলন ঘিরে সতর্ক অবস্থানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী: পুলিশ

নিউজ ডেস্ক

রাজধানীর মিরপুরে পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলন ঘিরে সোমবারও (২ নভেম্বর) পুলিশের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় পুলিশের ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও পুলিশের একটি ভেস্টে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ, টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। এ ঘটনায় মিরপুর বিভাগ থেকে ২৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সোমবার সকালে মিরপুর মডেল থানার সামনের সড়কে পোশাকশ্রমিকরা জড়ো হন। একপর্যায়ে থানার কাছের পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বরের দিকে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন তারা। এ সময় পুলিশের একটি ভেস্টে আগুন দেওয়া হয়।

পুলিশ বাধা দিলে পরিস্থিতির অবনতি ঘটে। শ্রমিকরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জের পাশাপাশি টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ছোড়ে। এতে পুরো এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে শ্রমিকরা ছত্রভঙ্গ হয়ে আশপাশের বিভিন্ন অলিগলিতে অবস্থান নেন। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে কয়েকজনকে আটক করা হয়।

এদিকে মিরপুর-১১ নম্বর এলাকা থেকেও একজনকে আটক করা হয়েছে। শ্রমিকদের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে তৃতীয় পক্ষ সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করছে বলে দাবি করেছে পুলিশ।

ডিএমপির যুগ্ম পুলিশ কমিশনার মহিদুল ইসলাম বলেন, শ্রমিক আন্দোলনের নাম ব্যবহার করে যাতে কোনো দুষ্কৃতকারী জনভোগান্তি সৃষ্টি কিংবা ভাঙচুর করতে না পারে, সে বিষয়ে পুলিশ সতর্ক রয়েছে। এ জন্য ব্যাপকসংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। মিরপুর বিভাগ থেকে ২৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে সোমবার সকাল থেকেই মিরপুর-১০, মিরপুর-১১ ও আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। এসব এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

উল্লেখ্য, গত দুই দিন ধরে ন্যূনতম মজুরি সাড়ে ১২ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতে আন্দোলন করছেন পোশাকশ্রমিকরা। রোববার শ্রম মন্ত্রণালয় ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে ছয় সদস্যের একটি বোর্ড ঘোষণা করেছে।

সম্পাদক :  এম ছাইফুল ইসলাম | কপিরাইট © সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত

প্রিন্ট করুন