বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬
Logo

রাঙামাটিতে ৬০টি পাহাড়ধসের ঘটনা, আশ্রয়কেন্দ্রে ৪ হাজার ১৬৬ জন

অনলাইন ডেস্ক

টানা পাঁচ দিনের ভারী বর্ষণে রাঙামাটিতে অন্তত ৬০টি পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে। পাহাড়ধসের পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা ও প্লাবন পরিস্থিতিরও অবনতি হয়েছে। সম্ভাব্য প্রাণহানি ও দুর্ঘটনা এড়াতে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নিচ্ছে জেলা প্রশাসন।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) জেলা প্রশাসকের মিডিয়া সেল থেকে জানানো হয়, জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলামের স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী সকাল পর্যন্ত জেলার ৩৪টি আশ্রয়কেন্দ্রে মোট ৪ হাজার ১৬৬ জন আশ্রয় নিয়েছেন।

ভারী বৃষ্টির কারণে রাঙামাটি-চট্টগ্রাম সড়কের বিভিন্ন অংশে পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া জেলার বিভিন্ন এলাকায় কয়েকটি বসতবাড়িও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও স্বেচ্ছাসেবীরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

এদিকে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বৃষ্টির তীব্রতা কিছুটা কমলেও বাঘাইছড়ি উপজেলায় পাহাড়ি ঢলে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে হাজারো মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। কাচালং কলেজ, উপজেলা পরিষদসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় পানি ঢুকে পড়েছে।

জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, পাহাড়ধসের ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও অনেক বাসিন্দা আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে অনাগ্রহ দেখাচ্ছেন। বুধবার পর্যন্ত কাপ্তাই উপজেলার ১৮টি আশ্রয়কেন্দ্রের মধ্যে মাত্র তিনটিতে ১০৩ জন আশ্রয় নিয়েছেন। একই ধরনের চিত্র দেখা গেছে জেলা শহরের বেশ কয়েকটি আশ্রয়কেন্দ্রেও, যেখানে অধিকাংশ কেন্দ্রই প্রায় ফাঁকা রয়েছে।

সকাল থেকে বৃষ্টি বন্ধ থাকায় পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতির আশা করা হলেও জেলা প্রশাসন সার্বক্ষণিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে দ্রুত স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে আসবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আশা প্রকাশ করেছেন।

সম্পাদক :  এম ছাইফুল ইসলাম | কপিরাইট © সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত

প্রিন্ট করুন