বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬
Logo

জাতীয়ভাবে পালন হবে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’, পরিপত্র জারি

ডেস্ক রিপোর্ট।।

সরকার প্রতি বছর ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ দিবসটিকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক গুরুত্বপূর্ণ দিবসগুলোর তালিকায় সর্বোচ্চ ‘ক’ শ্রেণিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক পরিপত্রে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়েছে, পূর্বে জারি করা দিবসসংক্রান্ত তালিকায় সংশোধন এনে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’কে ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত দিবস হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থাকে এ সিদ্ধান্ত যথাযথভাবে বাস্তবায়নের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এর আগে গত ১১ মার্চ সরকার নির্ধারিত জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবসসমূহ পালনের জন্য যে পরিপত্র জারি করা হয়েছিল, সেখানে ৭ নভেম্বরের এই দিবসটি অন্তর্ভুক্ত ছিল না।

ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সংঘটিত ঘটনাবলির স্মরণে দিনটি পালিত হয়ে আসছে। ওই সময়কার সিপাহি-জনতার অভ্যুত্থানের মাধ্যমে সেনাবাহিনীতে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন ঘটে এবং বন্দিদশা থেকে মুক্তি পান তৎকালীন সামরিক কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান, যিনি পরবর্তীতে রাষ্ট্রক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হন।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সরকারের আমলে এ দিনটি সরকারি ছুটিসহ রাষ্ট্রীয়ভাবে পালিত হতো। তবে রাজনৈতিক ভিন্নমতের কারণে দিবসটি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বিতর্ক রয়েছে। বিশেষ করে কিছু মহল ৭ নভেম্বরের ঘটনাকে নেতিবাচকভাবে মূল্যায়ন করে এবং ওই দিনে নিহত মুক্তিযোদ্ধা সেনা কর্মকর্তাদের স্মরণে ভিন্নভাবে পালন করে থাকে।

নতুন সিদ্ধান্তের ফলে ৭ নভেম্বর এখন থেকে প্রতি বছর রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় উদযাপিত হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

সম্পাদক :  এম ছাইফুল ইসলাম | কপিরাইট © সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত

প্রিন্ট করুন