নবনিযুক্ত পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকির জানিয়েছেন, ইনকিলাব মঞ্চের সাবেক মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে জড়িত গ্রেপ্তার দুই আসামিকে ভারত থেকে দেশে ফিরিয়ে আনতে কূটনৈতিক চ্যানেলে কাজ চলছে।
সোমবার (৯ মার্চ) সকালে পুলিশ সদর দফতরের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।
আইজিপি বলেন, হত্যাকাণ্ডে জড়িত দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তাদের দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য সংশ্লিষ্ট কূটনৈতিক প্রক্রিয়া চালু রয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, অচিরেই তাদের দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করাকে পুলিশের প্রধান অঙ্গীকার উল্লেখ করে আলী হোসেন ফকির বলেন, চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের দলীয় পরিচয় বিবেচনা করা হবে না। ইতোমধ্যে চাঁদাবাজ ও মাদক কারবারিদের তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে।
তিনি জানান, জনগণের অভিযোগ দ্রুত সমাধানের লক্ষ্যে প্রতিটি থানাকে ‘জিরো কমপ্লেইন সেন্টার’ হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে আইজিপি বলেন, দায়িত্ব পালনের সময় কেউ অতিউৎসাহী হয়ে আইনবহির্ভূত আচরণ করবেন না। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষকেও আইন মেনে চলার আহ্বান জানান তিনি।
নিষিদ্ধ কোনো সংগঠন আইনবহির্ভূত কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
পুলিশ বাহিনীর ভাবমূর্তি প্রসঙ্গে আইজিপি বলেন, বাহিনীর দুর্নামের জন্য কিছু অসাধু সদস্য দায়ী। ভবিষ্যতে পদোন্নতি ও পদায়নের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের স্বজনপ্রীতি বরদাশত করা হবে না। সৎ ও যোগ্য কর্মকর্তাদেরই গুরুত্ব দেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, দ্রুত বিচার প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে প্রতিটি থানায় একজন করে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বসানোর পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। পুলিশের পোশাক পরিবর্তনের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সরকার নেবে।

