বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬
Logo

তেলের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব নাকচ প্রধানমন্ত্রীর

ডেস্ক রিপোর্ট।।

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি তেল সরবরাহ স্বাভাবিক রেখে জনগণের মধ্যে তৈরি হওয়া আতঙ্ক দূর করতে সংশ্লিষ্টদের সব ধরনের উদ্যোগ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

শনিবার দুপুরে জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ও প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী এসব নির্দেশনা দেন। বৈঠকে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, কোনোভাবেই যেন তেল মজুতদারি করা না যায় এবং এ বিষয়ে প্রয়োজন হলে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করতে হবে।

বৈঠকের পর সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে জ্বালানিমন্ত্রী বলেন, দেশে ডিজেল, অকটেন ও পেট্রোলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। এ নিয়ে জনগণের উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই। তিনি সবাইকে অতিরিক্ত তেল সংগ্রহ না করার আহ্বান জানান এবং জানান, তেলের অতিরিক্ত দাম নেওয়া হলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে জ্বালানি তেল রেশনিংয়ের প্রথম দিনেই রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে তীব্র ভিড় দেখা গেছে। অনেক স্থানে তেল নিতে গিয়ে যানবাহনের চালকদের মধ্যে হুড়াহুড়ি, তর্ক-বিতর্ক ও বাগ্বিতণ্ডার ঘটনাও ঘটে। চাহিদা অনুযায়ী তেল দিতে না পেরে রাজধানীর বেশির ভাগ ফিলিং স্টেশন দুপুরের পর বন্ধ করে দেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ঢাকা ও আশপাশে প্রায় ১২৫টি ফিলিং স্টেশন রয়েছে। এর মধ্যে তেল সরবরাহ কম থাকায় দুপুরের মধ্যে শতাধিক পাম্প বন্ধ হয়ে যায়।

সরেজমিনে দেখা গেছে, যেসব পাম্প খোলা ছিল সেগুলোতে মোটরসাইকেল ও ব্যক্তিগত গাড়ির দীর্ঘ লাইন পড়ে। অনেককে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও তেল না পেয়ে ফিরে যেতে হয়েছে। কোথাও কোথাও মোটরসাইকেলচালকদের লাইনের শেষ প্রান্ত কয়েক শ মিটার পর্যন্ত বিস্তৃত হয়।

পাম্প মালিকরা জানিয়েছেন, সাধারণ সময়ে তিন দিন চলার মতো তেল কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই শেষ হয়ে যাচ্ছে। আতঙ্কে অনেকেই ট্যাংক পূর্ণ করে তেল নিতে চাইছেন, কেউ কেউ আবার কনটেইনারে অতিরিক্ত তেল সংগ্রহের চেষ্টা করছেন।

এদিকে জ্বালানি বিভাগ ফিলিং স্টেশনগুলোকে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২৫ শতাংশ কম তেল সরবরাহের নির্দেশ দিয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নতুন তেলের জাহাজ দেশে পৌঁছালে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে পারে।

সরকার জানিয়েছে, আ

সম্পাদক :  এম ছাইফুল ইসলাম | কপিরাইট © সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত

প্রিন্ট করুন