গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় প্রধানমন্ত্রীর নতুন বাসভবনের জন্য প্রাথমিকভাবে একটি জায়গা চূড়ান্ত করেছে। গণভবনের পশ্চিম-উত্তর পাশে, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অফিসসংলগ্ন প্রায় ১৮ একর জমিতে ভবন নির্মাণ করা হবে। স্থাপত্য অধিদপ্তর ইতোমধ্যে নকশা প্রণয়নের কাজ শুরু করেছে, এবং নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর গণপূর্ত অধিদপ্তর নির্মাণ কাজ শুরু করবে।
কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, নতুন বাসভবন নির্মাণে আনুমানিক ২–৩ বছর সময় লাগবে। সেই পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর বাসস্থান হিসেবে ব্যবহার করা হবে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা বা সংসদ ভবনসংলগ্ন স্পিকারের বাসভবন, যা প্রধানমন্ত্রীর পছন্দের ওপর নির্ভর করবে। প্রয়োজনে স্পিকারের বাসভবনের সঙ্গে ডেপুটি স্পিকারের বাসভবনও যুক্ত করা যেতে পারে।
গণভবন স্বাধীনতার পর থেকে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। তবে ৫ আগস্ট ২০০১ সালের ঘটনা পর গণভবন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়। পরে অন্তর্বর্তী সরকার এটি ‘জুলাই স্মৃতি জাদুঘর’ হিসেবে সংরক্ষণের উদ্যোগ নেয়, যা এখনও উদ্বোধনের অপেক্ষায় আছে।
স্থাপত্য অধিদপ্তরের প্রধান স্থপতি আসিফুর রহমান ভূঁইয়া জানান, নির্বাচিত স্থানে প্রধানমন্ত্রীর সব প্রয়োজন অনুযায়ী একটি তিনতলা ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। গণপূর্ত অধিদপ্তরের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী কাজী ফিরোজ হাসান বলেন, “এখানে বহুতল ভবন না হওয়ায় দুই থেকে আড়াই বছরের মধ্যে নির্মাণ সম্ভব।”

