কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স খুলে এবার পাওয়া গেছে ৩৫ বস্তা টাকা ও বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালংকারের পাশাপাশি বেশ কিছু চিঠি। এসব চিঠির একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) সকালে প্রায় চার মাস পর মসজিদের ১৩টি দানবাক্স খোলা হয়। দানবাক্স থেকে পাওয়া চিঠিগুলোর মধ্যে একটি বেনামে লেখা, যেখানে একটি হত্যাকাণ্ডের প্রকাশ্য বিচারের দাবি জানানো হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। চিঠিটি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে নানা আলোচনা শুরু হয়।
জানা গেছে, এর আগেও পাগলা মসজিদের দানবাক্সে বিভিন্ন সময় ব্যক্তিগত আকুতি, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় বিষয় নিয়ে লেখা চিঠি পাওয়া গেছে, যা পরে সামাজিক মাধ্যমে আলোচিত হয়। এসব চিঠিতে সাধারণত দোয়া, বিচার প্রার্থনা কিংবা ব্যক্তিগত আশা-আকাঙ্ক্ষার কথা উল্লেখ থাকে।
এদিন দানবাক্সের টাকা গণনা কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মিজাবে রহমত, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ নাহিদ হাসান খান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) জেসমিন আক্তার, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুল হাসান মারুফ এবং রূপালী ব্যাংকের সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) মোহাম্মদ আলী হারেছী।
গণনায় অংশ নেন ঐতিহাসিক জামিয়া ইমদাদিয়া মাদ্রাসার ২২০ জন ও পাগলা মসজিদের নুরুল কোরআন হাফিজিয়া মাদ্রাসার ১২০ জন শিক্ষার্থী, ব্যাংকের প্রায় ১০০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী, মসজিদ কমিটির ৩৪ জন সদস্য এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ২০ জন সদস্য।
সংশ্লিষ্টরা জানান, দানবাক্সে পাওয়া অর্থ ও সামগ্রী যথারীতি সরকারি বিধি অনুসারে সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার আওতায় আনা হবে।

