আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে সরকার দেশের সব রাজনৈতিক দলের জন্য বিশেষ নিরাপত্তা প্রটোকল জারি করতে যাচ্ছে। এই প্রটোকলে রাজনৈতিক নেতা ও সম্ভাব্য প্রার্থীদের বাসস্থান, অফিস, জনসভা ও চলাচলসহ সাইবার স্পেসে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার নির্দেশনা থাকবে।
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের পাঠানো এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ইতোমধ্যে গণঅভ্যুত্থানের গুরুত্বপূর্ণ নেতা এবং রাজনৈতিক নেতাদের বাড়তি নিরাপত্তা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদির ওপর হামলার ঘটনায় পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে, এবং প্রধান সন্দেহভাজন ব্যক্তির ফিঙ্গারপ্রিন্ট পরীক্ষা চলছে। সন্দেহভাজনদের ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে তথ্য সরবরাহ করে সীমান্ত অতিক্রম রোধে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, হামলার সঙ্গে জড়িত আরও কয়েকজন সন্দেহভাজন নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। তবে তারা বিভিন্ন জায়গায় অবস্থান পরিবর্তনের কারণে এখনো গ্রেপ্তার করা যায়নি।
এছাড়া, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ভারতীয় হাইকমিশনারকে তলব করে বাংলাদেশে সন্ত্রাসী কার্যকলাপে জড়িত পলাতকদের প্রত্যর্পণের বিষয়ে অনুরোধ জানিয়েছে। এ ধারা অব্যাহত থাকায় দুই দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী একসঙ্গে কাজ করছে বলে জানানো হয়েছে।
নিরাপত্তা প্রটোকলের মাধ্যমে সরকার এবং পুলিশ নিশ্চিত করতে চাচ্ছে যে, রাজনৈতিক নেতা ও প্রার্থীরা নির্বাচনী প্রচারণা নির্বিঘ্নে পরিচালনা করতে পারবেন এবং ভোটাররা নিরাপদ পরিবেশে তাদের মত প্রকাশ করতে সক্ষম হবেন।

