ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্যের জন্য শুভকামনা জানিয়ে সম্ভাব্য সকল সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছেন। এই বার্তা দুই দেশের শীতল দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের মধ্যে নতুন দিক নির্দেশ করছে।
সম্প্রতি বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা দিল্লি সফরে গিয়ে ভারতের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। এই সফরই বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পর্বের পরে সম্পর্কের মধ্যকার স্থবিরতা ভাঙার সূচনা করেছে। এবার খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য সংকট ভারতের ‘সহমর্মিতা’ প্রকাশের সুযোগ হিসেবে দেখা যাচ্ছে।
ঢাকার পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন জানিয়েছেন, “আমাদের স্বার্থ থাকবেই, তবে তা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের অন্যান্য কার্যক্রমকে থামাবে না।” এর মধ্য দিয়ে বোঝা যায়, ঢাকা-দিল্লির কূটনৈতিক সম্পর্ক উষ্ণ হওয়ার সূক্ষ্ম ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বিএনপি এখন ভারতের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ধারা হয়ে উঠেছে। ২০২৬ সালের নির্বাচনের আগে বিএনপির শক্তিশালী অবস্থান ও জামায়াতে ইসলামীকে একা রাখার সিদ্ধান্ত ভারতকে এই দলটির দিকে নজর দিতে বাধ্য করেছে।
অন্যদিকে, খালেদা জিয়ার ছেলে তারেক রহমানের সম্ভাব্য দেশে প্রত্যাবর্তন রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়াতে পারে। তবে, তিনি নিজেই জানিয়েছেন, তার প্রত্যাবর্তন সম্পূর্ণভাবে তার নিয়ন্ত্রণাধীন নয়।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই সময়ে ভারত-বাংলাদেশ কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থিতিশীল রাখা এবং বিএনপির সঙ্গে সংযোগ বজায় রাখা ভারতের দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত স্বার্থের অংশ।

