ভারতের তরুণ প্রজন্ম যদি তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে হতাশায় ডুবে যায়, তাহলে এখানে নেপালের মতো ‘জেন জি’ আন্দোলন শুরু হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন ভারত রাষ্ট্র সমিতির (BRS) নেতা কে টি রামা রাও (কেটিআর)। তিনি বলেন, সরকার যদি জনগণের চাহিদা ও আকাঙ্ক্ষা পূরণে ব্যর্থ হয়, তবে আন্দোলন অনিবার্য।
এনডিটিভি ইয়ুথ কনক্লেভে বক্তব্য রাখার সময় কেটিআর বলেন, “নেপালে যা ঘটেছে, তা কেবল ইন্টারনেট ইস্যু নয়— এটি ছিল ভবিষ্যৎ নিয়ে এক প্রজন্মের উদ্বেগের বহিঃপ্রকাশ। ভারতে এমনটি হওয়া অসম্ভব নয়।”
তিনি আরও বলেন, “প্রথমে নেপালের জেনারেশন জি-কে মিডিয়া হাস্যকরভাবে দেখেছিল। কিন্তু পরে দেখা গেল, তাদের প্রতিবাদ বাস্তব এবং যৌক্তিক ছিল। ভারতে সরকার যদি মানুষের চাহিদা উপেক্ষা করে, তাহলে একই ধরনের তরুণ-আন্দোলন শুরু হওয়াটা অস্বাভাবিক কিছু হবে না।”
তেলেঙ্গানার সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, “সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রেন্ডিং করলেই পরিবর্তন আসবে না। জেন জি-কে মাঠে নেমে মুহূর্তগুলো নিজের করে নিতে হবে।”
তিনি হায়দরাবাদের উদাহরণ টেনে বলেন, “৪০০ একর বনভূমি বিক্রির সরকারি সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সরব হয়েছিল। সে আন্দোলনের ফলেই বিষয়টি সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গড়ায় এবং বনভূমি রক্ষা পায়।”
বক্তব্যে কেটিআর বলেন, “বিশ্ব যখন বুড়িয়ে যাচ্ছে, ভারত তখন তরুণ হচ্ছে। আমাদের পেছনে ফেরার সুযোগ নেই। কেবল ভেঞ্চার ক্যাপিটাল নয়, দরকার অ্যাডভেঞ্চার ক্যাপিটাল— সাহসী উদ্যোগ ও উদ্ভাবনের মনোভাব।”
কেটিআর-এর মতে, ভারতীয় তরুণদের উদ্ভাবনী শক্তি, সাহস এবং চঞ্চলতা দেশের রাজনীতিকেও বদলে দিতে পারে— যদি তারা সময়মতো সোচ্চার হয়।

