খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় দেশের ৫৫ লাখ পরিবারকে ১৫ টাকা কেজি দরে ৩০ কেজি করে চাল সরবরাহ করা হবে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের খাদ্য উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার। আগামী আগস্ট থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত এই চার মাস চাল বিতরণ চলবে। এরপর দুই মাস বিরতি দিয়ে পুনরায় দুই মাস চাল বিতরণ কার্যক্রম চালু করা হবে।
সোমবার (১১ আগস্ট) বিকেলে মানিকগঞ্জ সার্কিট হাউজে জেলা প্রশাসনের আয়োজিত এক মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।
আলী ইমাম মজুমদার বলেন, “বর্তমানে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির জন্য বছরে প্রায় ১০ হাজার টন চাল প্রয়োজন হয়। ইতোমধ্যে ৪ হাজার টন চাল আমদানির জন্য চ্যানেল খোলা হয়েছে।”
তিনি আরও জানান, সরকার কৃষকদের কাছ থেকে এবার রেকর্ড পরিমাণ ধান ও চাল সংগ্রহ করেছে। কৃষকরা ৩৬ টাকা কেজি দরে ধান ও ৪৯ টাকা কেজি দরে চাল বিক্রি করে ন্যায্যমূল্য পেয়েছেন, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।
খাদ্য উপদেষ্টা বলেন, “বর্তমানে সরকারের খাদ্যশস্য মজুদ ২১ লাখ ৮০ হাজার মেট্রিক টন, যা চলমান ও ভবিষ্যৎ কর্মসূচি বাস্তবায়নে যথেষ্ট।”
সভায় জেলা প্রশাসক ড. মানোয়ার হোসেন মোল্লা, পুলিশ সুপার মোছা. ইয়াছমিন খাতুন, জেলার সব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও জেলা খাদ্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

