শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬
Logo

পল্লিচিকিৎসকের ওষুধে শিশুর শরীরে ভয়াবহ ক্ষত, রংপুর মেডিকেলে ভর্তি

ডেস্ক রিপোর্ট।।

জ্বর হলে পল্লিচিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধ খেয়েছিল ৯ বছরের নুরজাহান। তবে ওষুধ সেবনের পরই তার শরীরে দেখা দেয় ভয়াবহ প্রতিক্রিয়া—গায়ে ফোসকা, পরে পুড়ে যাওয়া দাগ এবং চামড়া উঠে গিয়ে তৈরি হয় ভয়ানক ক্ষত। বর্তমানে নুরজাহান রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

ঘটনাটি ঘটেছে কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার কেদার ইউনিয়নের টেপারকুটি গ্রামে।

শিশুটির পরিবার জানায়, গত ২৯ জুলাই জ্বরে আক্রান্ত হলে নুরজাহানকে স্থানীয় পল্লিচিকিৎসক আলমগীর হোসেনের কাছে নেওয়া হয়। তিনি তিন ধরনের ওষুধ দেন। সেগুলো খাওয়ার পর থেকেই নুরজাহানের শরীরে ফোসকা পড়া শুরু হয়, পরে পুরো শরীর কালচে হয়ে যায় এবং ক্ষত সৃষ্টি হয়।

বাবা ইউনুছ আলী জানান,

“মেয়ের অবস্থা দেখে চিকিৎসকের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করি, কিন্তু তিনি বারবার এড়িয়ে যান।”

অবস্থা খারাপ হওয়ায় ১ আগস্ট নুরজাহানকে ভর্তি করা হয় রংপুর মেডিকেলে।

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক মো. নূরুন্নবী বলেন,

“শিশুটির অবস্থা গুরুতর। ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াতেই এমনটা হয়ে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।”

অন্যদিকে অভিযুক্ত চিকিৎসক আলমগীর হোসেন নিজেকে সরকারি প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত বলে দাবি করে বলেন,

“শুধু জ্বরের সাধারণ ওষুধ দিয়েছিলাম। ভুল চিকিৎসা করিনি।”

কুড়িগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. স্বপন কুমার রায় জানান,

“মেডিকেলে থাকা ওষুধ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বিশ্লেষক টিম প্রতিবেদন দিলে দোষী সাব্যস্ত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

সম্পাদক :  এম ছাইফুল ইসলাম | কপিরাইট © সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত

প্রিন্ট করুন