গণঅধিকার পরিষদ রবিবার পুরানা পল্টনের আল রাজী কমপ্লেক্সে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জানায়, অংশগ্রহণকারী ও আন্দোলনের অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা ও সম্মতি ছাড়া সরকার কর্তৃক একপাক্ষিকভাবে প্রণীত ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ তারা প্রত্যাখ্যান করবে।
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদ খান বলেন, ২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলন থেকে শুরু করে দীর্ঘ ১৪-১৫ বছরের ছাত্র-শ্রমিক ও জনতাবৃন্দের লড়াইয়ের ধারাবাহিকতায় গত বছর ৩৬ দিনের গণঅভ্যুত্থান ঘটে। কোটা সংস্কার আন্দোলন শুধু চাকরির ক্ষেত্রে নয়, বরং রাষ্ট্র সংস্কারের দাবি নিয়ে জনতার মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে। তিনি বলেন, “কোটা সংস্কার আন্দোলন, নিরাপদ সড়ক আন্দোলন ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভ্যাটবিরোধী আন্দোলনসহ নানা গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের আপসহীন ভূমিকা জাতিকে নতুন করে উদ্বুদ্ধ করেছে।”
রাশেদ খান আরও বলেন, “সরকার ও অন্তর্বর্তী কর্তৃপক্ষ ৫ আগস্টের জন্য ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ প্রকাশের সময় নির্ধারণ করেছে, কিন্তু গণঅভ্যুত্থানের প্রকৃত অংশীজনদের সঙ্গে কোনো আলোচনা হয়নি। তাই এই ঘোষণাপত্র আমাদের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়।”
তিনি জানালেন, “জুলাই কোনো এক দলের একার দাবী নয়, এটি সকল অংশগ্রহণকারীর সংগ্রামের প্রতীক। একপাক্ষিক ঘোষণাপত্র ইতিহাস বিকৃতির সুযোগ দেবে এবং গণঅভ্যুত্থানের সার্থক চেতনা ও ভ্যালুকে ক্ষুণ্ন করবে।”
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন উচ্চতর পরিষদের সদস্যরা, সিনিয়র নেতারা এবং ছাত্র অধিকার পরিষদের প্রতিনিধি ও অন্যান্য গণঅধিকার কর্মী। তারা সকলেই একমত হন যে, সরকারের উচিত হবে আন্দোলনের অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গে বসে একটি স্বচ্ছ ও অংশগ্রহণমূলক প্রক্রিয়ায় ঘোষণাপত্র প্রণয়ন করা।

