আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার অংশগ্রহণের ইঙ্গিত দিয়েছেন দলটির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু। একইসঙ্গে তিনি দাবি করেন, ফেনীতে সুষ্ঠু নির্বাচন হলে বিএনপির জয় ‘নিশ্চিত’।
বুধবার ফেনী শহরের গ্র্যান্ড সুলতান কনভেনশন হলে এক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।
“ফেনীর অতীত ইতিহাস কারও অজানা নয়। সুষ্ঠু নির্বাচন হলে ইনশাআল্লাহ বিএনপি এখানে জয়লাভ করবে,” — বলেন আবদুল আউয়াল মিন্টু।
বিএনপির নেত্রী খালেদা জিয়া শারীরিকভাবে নির্বাচনে অংশ নিতে প্রস্তুত—এমন বার্তাও দিয়েছেন মিন্টু। তিনি বলেন, “আমাদের নেত্রী এখন সুস্থ আছেন। দলীয়ভাবে সিদ্ধান্ত এলে তিনিও নির্বাচন করবেন।”
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে নির্বাচন আয়োজন নিয়ে প্রশ্নে মিন্টু জানান, তারা এখনো ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনায় আস্থা রাখছেন। তবে কেয়ারটেকার সরকার পুনর্বহালের মামলার রায়ের ভিত্তিতে তা জানুয়ারিতেও এগিয়ে আসতে পারে।
“যদি আদালতের রায়ে কেয়ারটেকার সরকার ফিরে আসে, তাহলে নির্বাচন ৯০ দিনের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে,” — বলেন মিন্টু।
দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক আন্দোলনের কথা তুলে ধরে বিএনপির এ নেতা বলেন, “আমরা ২০০৬ সাল থেকেই অবাধ নির্বাচনের জন্য চেষ্টা করে আসছি। কেউ যদি বলে হঠাৎ নির্বাচন চাচ্ছি, সেটা সত্য নয়। প্রকৃতপক্ষে, জনগণের কাছে দায়বদ্ধ সরকার না থাকলে উন্নয়নও টেকসই হয় না।”
আবদুল আউয়াল মিন্টু ২০০৮ সালের নির্বাচনের বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তার মতে, ওই নির্বাচন অবাধ ছিল না এবং এরপর থেকে দেশে আর কোনো নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার গঠিত হয়নি।
“যদি নির্বাচিত সরকার না থাকে, তাহলে মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন সম্ভব নয়। আমরা গণতান্ত্রিক সরকার চাই, যে সরকার জনগণের প্রতিনিধি হয়ে কাজ করবে,” — মন্তব্য মিন্টুর।

