গাজায় চলমান সংঘর্ষ বন্ধে যুদ্ধবিরতির উদ্যোগ জোরদার করছে মিশরসহ মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক দেশ। তবে হামাসের অনিচ্ছা ও অনমনীয় অবস্থান সেই প্রচেষ্টাকে ব্যাহত করছে বলে কূটনৈতিক মহলে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
সম্প্রতি ইরান-ইসরায়েল দ্বন্দ্বের অবসানের পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আহ্বানে গাজায় যুদ্ধবিরতির জন্য একটি নতুন প্রস্তাব নিয়ে কাজ করছে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়। এই প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে মিশর, কাতার এবং অন্যান্য আঞ্চলিক মধ্যস্থতাকারী শক্তিগুলো।
তবে হামাস এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো যুদ্ধবিরতি চুক্তি গ্রহণে সম্মতি দেয়নি। আবার ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের প্রতিক্রিয়ায় কার্যকর প্রতিরোধও গড়ে তুলতে পারছে না। এই দ্বৈত অবস্থানের কারণে মিশর ক্ষুব্ধ, এমনটাই জানিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক কূটনৈতিক সূত্র।
টাইমস অব ইসরায়েলকে দেওয়া এক বিবৃতিতে এক আরব কূটনীতিক বলেন, “হামাসের অনড় আচরণে মিশর বিরক্ত। তারা কাতারে অবস্থানরত হামাস প্রতিনিধিদের চুক্তি মেনে নিতে চাপ দিচ্ছে এবং এমনকি হুমকিও দিয়েছে।”
সূত্র মতে, মিশর হামাসের উপপ্রধান খলিল আল-হাইয়াকে গাজা থেকে নির্বাসনের হুমকি দিয়েছে এবং প্রকাশ্যে অপমান করেছে। মিশরের ধারণা, হামাস আলোচনার পথেই বাধা সৃষ্টি করছে এবং অর্থবহ কোনো সমাধানের দিকে যেতে চাচ্ছে না।
এদিকে আলোচনায় যুক্ত অন্য একটি সূত্র জানায়, ৬০ দিনের একটি সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতির খসড়া প্রস্তাব টেবিলে রয়েছে। ইসরায়েল নতুন কিছু শর্ত দিয়েছে, যার ভিত্তিতে আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চলছে।
যদিও হামাসের প্রতিক্রিয়া এখনো অপ্রকাশিত, কূটনৈতিক মহল মনে করছে, এই সংকট এখনো সমাধানযোগ্য এবং কয়েকদিনের মধ্যেই একটি সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব।

