রংপুরে মাদক কারবারিকে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগে এএসআই ও কনস্টেবল প্রত্যাহার

দেশজুড়ে
রংপুরে মাদক কারবারিকে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগে এএসআই ও কনস্টেবল প্রত্যাহার
নিউজ ডেস্ক
২৬ মে ২০২৫

রংপুরের কাউনিয়ায় মাদক কারবারিকে আটক করে ঘুষের বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগে হারাগাছ থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) ও এক কনস্টেবলকে ক্লোজ করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। অভিযুক্তরা হলেন—এএসআই (নিরস্ত্র) রনি মিয়া ও কনস্টেবল তরিকুল ইসলাম।

ঘটনাটি ঘটেছে গত রবিবার (২৫ মে) সন্ধ্যায়। পুলিশের একটি অভ্যন্তরীণ সূত্র জানায়, ওসি ও ডিউটি অফিসারের অনুমতি ছাড়া রনি ও তরিকুল মোটরসাইকেলে বের হন এবং হারাগাছ পৌর শহরের পশ্চিম পোদ্দারপাড়া বাঁধ সংলগ্ন এলাকা থেকে আবুল কালাম নামে এক ব্যক্তিকে ৯ বোতল ফেনসিডিলসহ আটক করেন।

তবে থানা বা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে না জানিয়ে ওই ব্যক্তিকে সাড়ে ১৩ হাজার টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেন বলে অভিযোগ উঠে। বিষয়টি জানতে পেরে হারাগাছ থানার ওসি মমিনুল ইসলাম সোহেল তাৎক্ষণিকভাবে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) ডিসি (ক্রাইম) আহমেদ মারুফকে অবহিত করেন।

সাবাহ নিউজ এর গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন:  – এক্স– লিংকডইন– ইন্সটাগ্রাম– ইউটিউব

ঘটনার সত্যতা যাচাই করতে ডিসি মারুফ রাতে নিজেই থানায় উপস্থিত হন এবং তদন্ত শেষে অভিযুক্ত দুই পুলিশ সদস্যকে তাৎক্ষণিকভাবে প্রত্যাহারের নির্দেশ দেন।


এই অভিযোগ অস্বীকার করে রনি মিয়া বলেন, “মাদক কারবারিকে আমরা ধরার চেষ্টা করছিলাম, কিন্তু সে পালিয়ে যায়। তাই তাৎক্ষণিকভাবে ওসিকে জানানো হয়নি। আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম থানায় ফিরে জানাবো, কিন্তু তার আগেই ওসি জানতে পারেন।”


হারাগাছ থানার ওসি মমিনুল ইসলাম সোহেল এই বিষয়ে সরাসরি মন্তব্য করতে অপারগতা প্রকাশ করে বলেন, “ডিসি (ক্রাইম) স্যার এ বিষয়ে বিস্তারিত বলতে পারবেন।”

অন্যদিকে ডিসি আহমেদ মারুফের মোবাইল নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

মেট্রোপলিটন পুলিশের অভ্যন্তরীণ তদন্ত চলছে বলে সূত্র জানিয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে ঊর্ধ্বতন পর্যায়ে সিদ্ধান্ত হবে।