চুয়াডাঙ্গায় ব্যপকহারে ডায়রিয়া নিউমোনিয়া বৃদ্ধি চিকিৎসকরা চিকিৎসা দিতে হিমশিম খাচ্ছে
oplus_2
চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধিঃ চুয়াডাঙ্গা জেলার উপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে মাঝারি শৈত্য প্রবাহ। একারণে জেলায় ব্যপকহারে দেখা দিয়েছে ডায়রিয়া,নিউমোনিয়া, জ্বরসহ শীতজনিত নানা রোগ। প্রতিদিনই সদর হাসপাতালসহ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেগুলোতে রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। কর্তব্যরত চিকিৎসক ও সেবিকারা বলছেন, লোকোবল কম থাকায় রোগী সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। রোগীদের সঠিক সেবা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। এক্ষেত্রে রোগীদেরও অভিযোগ তারা সময়মত সেবা পাচ্ছেন না।
চুয়াডাঙ্গায় এ মৌসুমে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ৮দশমিক ০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বর্তমান তাপমাত্রা ওঠানামা করছে। ঘন কুয়াশা চাদরে ঢেকে থাকছে চুয়াডাঙ্গা। গত কয়েকদিন ধরে সূর্যের দেখা মিলছ না। এছাড়া উত্তরের হীমেল বাতাসের ফলে, হাড় কাঁপানো কনকন শীতে শিশুসহ সব বয়সের মানুষ শীতজনিত রোটাভাইরাসহ নানান রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।
কর্তব্যরত সেবিকা রানী বেগম জানান , ডিসেম্বর মাসের শুরু থেকে ডায়রিয়া ওয়ার্ডে দিনদিন রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রতিদিন ৩৫ থেকে ৪০ জন নতুন রোগী ভর্তি হচ্ছে এবং দিন শেষে ২শ থেকে ৩শজন রোগী ভর্তি থাকছে। লোকোবল কম থাকায় রোগী সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। তবে, ঔষধ স্যালাইনের সংকট নেই।
ডায়রিয়া ছাড়া শিশু ওয়ার্ডেও জ্বর,সর্দি,কাশি নিয়ে সাভাবিকের তুলনায় চারগুণ শিশু রোগী ভর্তি রয়েছে। একই সাথে প্রশুতি বিভাগেও রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।
শীতজনিত রোগ ও প্রতিরোধ নিয়ে সদর হাসপাতা লের গাইনি বিভাগের এসোসিয়েট প্রফেসার ডাঃ আকলিমা খাতুন জানান, এই শীতে হাসপাতালের গাইনি ওয়ার্ডের প্রসুতি মা ও শিশু এবং নিউমোনিয়া, ডায়েরিয়া ওয়ার্ডের শিশুসহ সকল বয়সের রোগী স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রয়েছে। শীতের এসময় তিনি সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পরামর্শ দেন। তবে,ডায়রিয়া বা নিউমোনিয়ায় কোনো মৃত্যু খবর পাওয়া যায়নি।


